1. iliycharman7951@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : support :
ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ডিবি পুলিশের সাত সদস্যকে সাতবছর করে কারাদণ্ড - matamuhuri - মাতামুহুরী
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন লামার কৃষক স্বজরাম ত্রিপুরা রওশন-ফেরদৌস গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন কক্সবাজারের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন কুটনীতিকরা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আমার বক্তব্য দুদকের মামলায় স্ত্রী সহ কারাগারে শাহজাহান আনচারী বিলছড়ি হেব্রোণ মিশনে বার্ষিক উপহার বিতরণ কালোবাজারী হাত থেকে কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না কক্সবাজার রুটের ট্রেনের টিকিট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন সম্পন্ন : জসিম আবছার জাহিদ হেলাল হারুন মুকুল জয় সহ ২৭ জন জয়ী জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন শনিবার : ২৩ পদে লড়ছেন ৩৫ জন প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী একবার যাকে দুরে টেলে দেন, তাকে আর কাছে আসতে দেন না

ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ডিবি পুলিশের সাত সদস্যকে সাতবছর করে কারাদণ্ড

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৯৭ পঠিত
ব্যবসায়িকে জিম্মি করে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বহিস্কৃত সাত সদস্যকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টা ২০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার জেলা দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে বেলা ১১টায় রায় পড়া শুরু করেন বিচারক। পরবর্তীতে বেলা ১২টা ২০ মিনিটের দিকে রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন। বিচারক ৩৬৫ ধারায় ৫ বছর এবং ৩৮৬ ধারায় ৭ বছর কারাদণ্ড দেন। উভ সাজা এক সাথে ভোগ করতে হবে। ফলে সাজা ৭ বছর বলে গন্য হবে। রায় ঘোষণাকালে সাত আসামিই এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম জানান, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর কক্সবাজার শহরের থানার পেছনের রোড থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা টেকনাফের ব্যবসায়ী আবদুল গফুরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। এরপর ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাঁর স্বজনদের কাছে এক কোটি টাকা
মুক্তিপণ দাবি করেন। দেন দরবারের পর ১৭ লাখ টাকা দিতে রাজি হয় পরিবার।
টাকা পৌঁছে দেওয়া হলে পরদিন ভোররাতে আবদুল গফুরকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি গফুরের স্বজনেরা সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা চৌকির কর্মকর্তাকে জানান। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য সেনাবাহিনীর এই নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন করা হয়েছিল।
মুক্তিপণ আদায়কারী ডিবি পুলিশের সদস্যরা মাইক্রোবাসে মেরিন ড্রাইভ সড়কে চৌকির সেনা সদস্যরা মাইক্রোবাস তল্লাশি করে তাতে ১৭ লাখ টাকা পান। এ সময় ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করেন সেনাসদস্যরা।
পিপি জানান, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী আবদুল গফুর বাদি হয়ে ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদ, এএসআই ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা ও আলাউদ্দিন এবং দুই কনস্টেবল আল আমিন ও মোস্তফা আজমকে আসামী করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস ২০১৮ সালের আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ডিবির সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে জামিনে থাকা ডিবি পুলিশের ৭ সদস্যের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ করেন বিচারক। মামলার রায়ের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর সময় নির্ধারণ করেন। মঙ্গলবার এ রায়টি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন পিপি।
এদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে রায় ঘোষণার সময় মামলার বাদী আবদুল গফুর উপস্থিত ছিলেন না। তবে তাঁর বড় ভাই টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি কেউই আইনের উর্ধে নয় সেটা প্রমান হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর

© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Customized BY Iliaych