বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি জেলে সমিতি (রেজিঃ নং বি ১৯৫১) এর আওতাধীন চকরিয়া উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। নবগঠিত চকরিয়া উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ ৩মে’ ২৩ইং সকাল ১০টায় চকরিয়া নির্বাহী অফিসার জেপি দেওয়ান এর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাত, ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় ও ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি জেলে সমিতির সদস্যের পরিচয়পত্র বিতরণ করেন।
চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি হুমায়রা জন্নাত ও সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেনের নেতৃত্বে শুভেচ্ছাকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি জেলে সমিতি কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল দরবেশী, পৌরসভার সভাপতি সাফিয়া বেগম চাম্পা, সাধারণ সম্পাদক আহমদ কবির, সাহারবিল ইউনিয়ন সভাপতি নেছারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, বদরখালী ইউনিয়ন সভাপতি আবু তালেব বলি, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম, কোনাখালী ইউনিয়ন সভাপতি আনোয়ারা বেগম, সাধারণ সম্পাদক মৌলভী আকতার আহমদ, খুটাখালী ইউনিয়ন সভাপতি রাজিয়া বেগম, সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন, পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, কাকারা ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন সভাপতি কহিনুর আক্তার, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলার সদস্য তসলিমা বেগমসহ প্রায় ২শতাধিক কার্ডধারী ক্ষুদ্র মৎস্যজীবি জেলে সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলেদের বিভিন্ন দাবী দাওয়াও তুলে ধরেন।
চকরিয়া নির্বাহী অফিসার জেপি দেওয়ান বলেন, সরকার জেলে সম্প্রদায়কে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার আওতায় আনছে। সরকার নির্ধারিত ৬৫দিন সাগরে মাছ না ধরার যে নিয়ম রয়েছে তা সকলকে মানতে হবে। ওই সময়ের জন্য সরকার জেলেদেরকে বিশেষ বরাদ্দও দেন। তিনি বলেন, জেলেদের যেন কেউ হয়রাণী করতে না পারে তৎজন্য প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। জলমহাল বরাদ্দ ও ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রেও প্রকৃত জেলেদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।তাই তিনি প্রকৃত জেলেদের তালিকা প্রণয়ন সম্পন্ন করার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।##