1. iliycharman7951@gmail.com : admin :
  2. support@wordpress.org : support :
চকরিয়া-পেকুয়ায় হাতঘড়ির গণজোয়ার - matamuhuri - মাতামুহুরী
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুদকের মামলায় স্ত্রী সহ কারাগারে শাহজাহান আনচারী বিলছড়ি হেব্রোণ মিশনে বার্ষিক উপহার বিতরণ কালোবাজারী হাত থেকে কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না কক্সবাজার রুটের ট্রেনের টিকিট জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন সম্পন্ন : জসিম আবছার জাহিদ হেলাল হারুন মুকুল জয় সহ ২৭ জন জয়ী জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন শনিবার : ২৩ পদে লড়ছেন ৩৫ জন প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী একবার যাকে দুরে টেলে দেন, তাকে আর কাছে আসতে দেন না চকরিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া নিয়ে সাবেক সাংসদ জাফরের নেতৃত্বে বিশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শহরের ২টি প্রাইভেট হাসপাতালে অভিযান চকরিয়ায় ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চকরিয়া সোসাইটি বায়তুল মাওয়া শাহী জামে মসজিদ কমিটি গঠনে প্রশাসনের তিন সদস্যের কমিশন গঠন

চকরিয়া-পেকুয়ায় হাতঘড়ির গণজোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট : শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২০১ পঠিত

মাত্র একটি রাত পোহালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে গত পক্ষকাল ধরে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনটি ছিলো সরগরম। রাজনৈতিক স্বতন্ত্র হিসেবে ৭জন প্রার্থী ভোটের লড়াইতে নামলেও মাত্র দুইজনকে ঘিরেই আলোচনা সীমাবন্ধ ছিলো ভোটের মাঠ। সেই দুইজন হলেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক (হাতঘড়ি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলম এমপি (ট্রাক)।
তারা দুইজন ছাড়া অল্প বিস্তর পোস্টার লাগানো, প্রচারণা চালায় জাতীয় পার্টির হোসনে আরা (লাঙ্গল) ও ওয়ার্কার্স পার্টির আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম (হাতুড়ি)।
এছাড়া প্রার্থী হওয়া ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী কমরউদ্দিন (কলারছড়ি) ও এমপি পুত্র তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন (ঈগল)। এ চারজন কোন ধরণের প্রচার প্রচারণা চালায়নি বলে জানান স্থানীয় ভোটাররা। তবে স্বতন্ত্র

প্রার্থী তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন নিজের জন্য ভোট না চেয়ে পিতা জাফর আলমের পক্ষে ভোট চায়।
সরেজমিন ঘুরে চকরিয়া পৌরশহর সহ কয়েকটি ইউনিয়নের ভোটারদের সাথে আলাপ হয় এ প্রতিবেদকের। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ভোটারদের সিংহভাগই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চকরিয়া-পেকুয়ায় আমরা পরিবর্তন চাই। ব্যক্তি কেন্দ্রীক কর্মকান্ড থেকে বেরিয়ে সার্বজনীন কাজ করলে এবং সাধারণ মানুষের সাথে সহজে মিশবে তেমন প্রার্থীকে আমরা ভোটর দেবো। এ প্রশ্নের জবাবে তাদের অভিমত স্থানীয় বহিরাগত বুঝিনা সরকার প্রধান যাকে চায় তাকে আমরা ভোট দেবো, কেননা অন্য কাউকে ভোট দিলে চকরিয়া-পেকুয়াবাসী উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে।

কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে চকরিয়ায় আসার পর তাকে নিয়ে তেমন ছিলনা। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিমের হাতঘড়ির পক্ষে নিবার্চন করার ঘোষণা দিয়ে দুই উপজেলার একটি পৌরসভার ও ২৫টি ইউনিয়নে একাধিক টিমে বিভক্ত হয়ে সভা ও গণসংযোগ করায় অল্পদিনেই গণজোয়ার সৃষ্টি হয়।
বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা গণসংযোগ ও পথ সভায় বর্তমান এমপি জাফর আলমের অনিয়ম দূর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার ফিরিস্তি ও খুন সন্ত্রাসের তথ্য তুলে ধরায় গ্রামীণ জনপদের লোকজন ঝুঁকে পড়ে সৈয়দ ইবরাহিমের পক্ষে।

জানা যায়, গত ১৬ডিসেম্বর চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চকরিয়ায় পদার্পন হয় মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতিকের।
গত ২০দিনে চকরিয়া-পেকুয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি হাতঘড়ির মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন। এছাড়া তিনি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানে উৎসাহ প্রদান করেন ভোটারদের।
এতে সার্বক্ষণিক সহায়তা করেন বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, গত পাঁচবছরে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় চিংড়িঘের দখল, বনভূমি দখল, অসহায় মানুষকে প্রলোবনে ফেলে ক্রয়ের নামে জমিজমা হাতিয়ে নেওয়া, অবৈধ বালু উত্তোলন ও গরুচুরির কারণে বর্তমান সাংসদ জাফর আলমের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে মানুষ। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাফর আলমের নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে জবাব দিতে প্রস্তুত ক্ষোভ চেপে রাখা মানুষ।
চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর আলমকে ২০১৮ সালে আমরা অনেক কষ্ট করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছিলাম। মনে করেছিলাম, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর পরিক্ষিত সৈনিকরা স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুজে পাবে। কিন্তু সেই আশার গুড়েবালি। নিজে সহ পরিবারের সদস্যদের আখের গুছানোর সাথে জাফর লীগ গড়ে তুলে তছনছ করেছে দুই উপজেলার আওয়ামী পরিবারকে। পরিক্ষিত মুজিব সেনারা নানা ভাবে হয়রানী নির্যাতন ও মামলার শিকার হওয়ার পাশাপাশি দলীয় পদ থেকেও বিতাড়িত করেছে জাফর আলম। তাই আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভোটাররা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর

© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Customized BY Iliaych