সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সে ইসলামী গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের নিয়োগ পেলেন চকরিয়ার সন্তান রেজাউল করিম চকরিয়ায় সাঈদী-জাফরের অস্তিত্বের লড়াই! সদর হাসপাতালে অনিয়মে ভরা নিয়োগ পরীক্ষা : পক্সি দিতে এসে যুবক আটক চকরিয়ায় আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে সাত প্রার্থীকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২য় বৈঠক অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে সভাপতি সম্পাদকের পরাজয় মানে ভোট সুষ্টু হয়েছে—পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.হাসান ১৯ বছর পর আবারো নুরুল আবছারের নামের পাশে চেয়ারম্যান দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদীকে জেতাতে নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ সদরে আবছার মহেশখালীতে জয়নাল কুতুবদিয়ায় হানিফ বিন কাশেম জয়ী

১৯ বছর পর আবারো নুরুল আবছারের নামের পাশে চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪
  • ৩০ পঠিত

১৯৮৪ সালে প্রথম পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন নুরুল আবছার এরপরে ১৯৮৮, ১৯৯৩ সর্বশেষ ২০০২ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরে মামলা জনিত কারনে ২০০৩ সালে বহিস্কার হলেও ২০০৪ সালের জুন মাসে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসাবে দায়িত্বপান তৎকালীন প্যানেল চেয়ারম্যান সরওয়ার কামাল। সে হিসাবে ২১ বছরের বেশি সময় পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন নুরুল আবছার। মাঝখানে ২০০৩ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১৯ বছর পর আবার নুরুল আবছারের নামের পাশে যোগ হলো চেয়ারম্যান। তবে এবার পরিধিটা আরো বড় হয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
১৯ বছর পর আবার নুরুল আবছারকে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে পেয়ে ব্যাপক উচ্ছাসিত তার নিজ জন্মভুমি টেকপাড়া এবং নানার বাড়ি বাহারছড়ার মানুষ। এছাড়া নুরুল আবছারের সোনালী সময়ে অনেক মানুষ দীর্ঘ ১৯ বছর পর আবারো নুরুল আবছারের বিজয় এবং নুরুল আবছারের মুখে হাসি দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন অনেকে।
কথা হচ্ছিল টেকপাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি আমির হোসেনের সাথে, তিনি জানান, ১৯৮৪ সালে নুরুল আবছার যখন প্রথম নির্বাচন করছিল তখন আমরা বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে গিয়ে তার জন্য খরচ করেছি। বন্ধু বান্ধব থেকে ধার করে নির্বাচনে খরচ করেছি। মূলত কিছু মানুষের দুঃশাষনের জবাব দিতে আমরা তাকে প্রার্থী করেছিলাম। যদিও তার অনেক ভুলত্রুটি আছে তবে আমরা নুরুল আবছারের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। তাই এত বছর পর আবারো তার মুখে হাসি দেখে আমি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছি।
টেকপাড়া সমাজ কমিটির সহ সভাপতি জয়নাল আবেদীন সওদাগর বলেন, নুরুল আবছার আমার মরহুম স্ত্রীর আপন বড় ভাই। কিন্তু তিনি টেকপাড়ার জন্য একজন আর্শিবাদ। তিনি টেকপাড়াকে সে সম্মান এনে দিয়েছেন সেটা কেউ দিতে পারেননি। আর তিনি কোন দিন আপনজনকে কিছু দেন নি,দিয়েছেন অসহায় গরীব মানুষকে,তিনি কখনো টাকা জমায়নি জমিয়েছেন মানুষের দোয়া এবং ভালবাসা সে জন্য মানুষ ৭২ বছর বয়সেও নুরুল আবছারকে এত ভালবাসে। প্রত্যেক নেতার সেই গুণ থাকা উচিত।
টেকপাড়ার বাসিন্দা ব্যাংকার খোরশেদ আলম বলেন, নুরুল আবছারকে ঢাকা থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত মানুষ চিনে। আমরা অনেক সময় বিভিন্ন জেলার মানুষের সাথে পরিচয় হলে উনারা নুরুল আবছারকে চিনি কিনা জিঙ্গেস করে তখন গর্বে বুকটা ভুরে যায়। মাঝখানে নুরুল আবছার দায়িত্বে ছিলনা,অনেক লাঞ্চনা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন,সেটাও হয়তো আল্লাহর ইচ্ছা। আমি আশা করবো এখন নতুন করে মানুষের প্রতি বিশেষ করে নিজ এলাকার প্রতি তিনি বেশি দায়িত্ব পালন করবেন।
শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল আবছারের সব সময়ের সঙ্গি ফরেস্টার আবু বলেন,আমি ব্যাক্তিগক জীবনে যে মানুষটা বেশি ভালবাসি তার নাম নুরুল আবছার। বাহারছড়ার মানুষ নুরুল আবছারকে ১৯৮৪ সাল থেকে একক ভাবে ভোট দিয়ে আসছে। ১৯ বছর পর আবারো নুরুল আবছারকে চেয়ারম্যান বানাতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আল্লাহ কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।
বাহারছড়ার বাসিন্দা আবদুল মতিন এবং সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ হোসেন মাসু বলেন,নুরুল আবছার একটি নাম নয়,কক্সবাজারের জন্য একটি ইতিহাস। উনার মত জনপ্রিয় নেতা এ পর্যন্ত সৃষ্টি হয়নি, সামনে হবেও না। ১৯ বছর যে মানুষ কোন রাষ্ট্রিয় দায়িত্বে ছিল না সেই মানুষকে সাধারণ মানুষ এখনো মনে রেখেছে,নুরুল আবছারকে দেখে অনেক মহিলা কান্না করেছে,অনেকে হাতে টাকা গোজে দিয়েছে। এবারের উপজেলা নির্বাচনটা ছিল উনার জীবনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ আল্লাহ কবুল করেছেন।মানুষ উনাকে ভোট দিয়েছেন। তবে আমাদের খুবই ভাল লাগছে ১৯ বছর নুরুল আবছারের মুখে হাসি দেখে।

https://www.facebook.com/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2018 News Smart
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com